শিশুদিবসের বার্তাঃ শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য যোগাসন আবশ্যক

মধ্যবঙ্গ ওয়েব ডেস্কঃ আজকে মোবাইল ফোনের একটা খোঁচায় সারা পৃথিবী হাতের মুঠোয়। সেখানে কম পড়েছে খেলার মাঠ। পাবজি, ক্ল্যাস অফ ক্ল্যান্স, মোবাইল ক্রিকেট, ফুটবল এসবের মাঝে শিশুরা মগ্ন মাথা ঝুকিয়েছে স্ক্রিনে। আর একেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন গোঁড়াতেই গলদ।

শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ফলে এই শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্যে দরকার একটি সঠিক পরিবেশের। একটি বিশাল বড় গাছ একদিনে হয়না। এবং সেই গাছ থেকে একদিনে ফলও আসেনা। তেমনই একটি শিশুর পূর্ণ বিকাশের জন্যে দরকার একটি উপযুক্ত পারিবারিক পরিবেশের। এই উপযুক্ত পরিবেশ বলতে যেকোনও শিশুর মানসিক এবং শারীরিক বিকাশ। শিশুর দরকার শারীরিক যোগাভ্যাস। শরীরের ক্ষেত্রে কী কী কাজে আসে যোগাসন, সে ব্যাপারটা অল্প-বিস্তর আমরা সবাই জানি। শারীরিক কাঠামো ধরে রাখতে যেমন যোগাসনের জুড়ি মেলা ভার, তেমনই শরীরের অভ্যন্তরীণ নানা প্রক্রিয়ার উপকারেও আসে যোগাসন। কিন্তু তা বলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি?

আসলে যোগাসনের মূল কথাই হল মননশীলতা। শুধু শারীরিক কসরত নয়, একই সঙ্গে এই আসনে মনটিকেও একাগ্র রাখতে হয়। তাই ছোট বয়স থেকে নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে অবশ্যই শিশুর স্মৃতি তীক্ষ্ণ হয় এবং মনোযোগের ক্ষমতাও বাড়ে, এমনটাই বলছেন যোগ প্রশিক্ষক সাগর ঘোষ। তিনি জানান, “বর্তমানে আমাদের যে পারিবারিক পরিবেশ সেখানে দাড়িয়ে বাচ্চাদের মানসিক বিকাশের গতি প্রচণ্ড পরিমাণে কমে এসেছে। যার ফলে যত বড় হচ্ছে তারা ততই মানসিকভাবে অবসাদে ভুগছে। এই পরিস্থিতিতে সারা দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৪ মিনিট সময় বের করে শরীরচর্চা আবশ্যক।