গবাদি পশু বিতরণ ঘিরেও তৃণমূলের কোন্দল, লাঠি হাতে রাস্তায় পুলিশ !

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভরতপুরঃ প্রানী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের ছাগল ও বকনা বিরতন ঘিরেও তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে ভরতপুর ২ ব্লকে। বিবাদ মেটাতে লাঠি হাতে তেরে গেল পুলিশ। ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ব্লক অফিস চত্বরে। ব্লক অফিসে পশু বিরতন শুরু হতেই মালিহাটি পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি রেজাউল সেখের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পরেন তালিবপুর পঞ্চায়েত প্রধান মহম্মদ রবি সেখ। যে লিস্ট অনুযায়ী গবাদি পশু বিতরণ হচ্ছে তাতে গরমিল রয়েছে, এই অভিযোগে তুলে এদিন গরু ও ছাগল বিতরণ বন্ধ করতে বলেন তালিবপুর পঞ্চায়েত প্রধান মহম্মদ রবি সেখ। এনিয়েই দুপক্ষের মধ্যে বিবাদ বাঁধে। উত্তেজনা ছড়ায় ব্লক অফিসে চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং লাঠি উঁচিয়ে দুপক্ষকে সামাল দেয়।

মালিহাটি অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতিরেজাউল সেখ জানান, “তালিবপুর অঞ্ছলের প্রধান (রবি সেখ) এখানে একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে। এবং সেটি মেনে নেওয়া মুশকিল হচ্ছিল। তাই কিছু সংখ্যক মানুষ, তাঁকে সহজভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বেশি এই নিয়ে ভাবার দরকার নেই”। তালিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানমহম্মদ রবি সেখপাল্টা দাবি করেন, “ঝামেলা কিছুই হয় নি। প্রাথমিকভাবে আমরা গিয়ে দেখলাম একটি ভুল লিস্ট হয়েছে। তাই আজকের দিনটি বাদ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলাম আমরা। সেই নিয়েই কথা কাটাকাটি হয়”।

শুধু তালিবপুর পঞ্চায়েত প্রধানই নয় এই লিস্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য প্রানী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষও।ভরতপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য প্রানী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষবাদল চন্দ্র বাইন জানান, “আমাদের আজ অন্ধকারে রেখে এই কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। আমরা একটি স্মারকলিপি দিয়েছি। ব্লক সভাপতির গাড়ির চালকের নাম এই লিস্টে আমরা দেখতে পেয়েছি। যেটি আমাদের কাছে ভুল বলেই মনে হয়েছে”। এদিন ব্লকের ৭টি পঞ্চায়েত এলাকার ১০ টি গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে ছাগল ও ৬ জনকে বকনা বাছুর বিরতন করার কথা ছিল। তবে তা বিতরণ শুরু হতেই গণ্ডগোল বাঁধে। এরপরই তা বন্ধ হয়ে যায়।

প্রানী সম্পদ আধিকারিক ডাঃ দেবাশীষ ভট্টাচার্য এই বিষয়ে বলেন, “কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা ঊর্ধ্বতন প্রশাসনকে জানিয়েছি গোটা বিসয়টি”।যদিও এর পরই বন্ধ হয়ে যায় গোষ্টীর সদস্যদের মধ্যে গবাদি পশু বিরতন।