মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ খরচ কমাচ্ছে প্রশাসন

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুরঃ বছর খানেক পর জেলায় আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহরমপুর স্টেডিয়ামে তাঁর সভা ঘিরে সাজোসাজো রব সর্বস্তরে। বিশেষ করে নিরাপত্তা বিষয়ে নিশ্চিন্ত হতে চাইছে পুলিশ। বহরমপুর স্টেডিয়ামে তৈরি হয়েছে হেলিপ্যাড। সেই হেলিপ্যাড ও তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা বলয় নিজে এসে পরখ করে গিয়েছেন পুলিশ সুপার সূর্যপ্রকাশ যাদব। এসেছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষী মিত্র।

এখনও মাঠে আছেন পূর্তদফতরের ইঞ্জিনিয়াররা। সভাস্থল ও হেলিপ্যাডে একজন অ্যাসিস্টান্ট সাব ইন্সপেক্টরের দায়িত্বে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উড়ান কোথায় শেষমুহুর্তে অবতারণ করবে তা এখনও নিশ্চিত নয় জেলা প্রশাসন। তাই ব্যারাকস্কোয়ারের হেলিপ্যাডও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সার্কিট হাউজেও চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি।

৯০x৯০ মিটার হ্যাঙ্গার প্যান্ডেল তৈরি হবে। যা স্টেনলেশ স্টিলের পাত দিয়ে তৈরি। সেই প্যান্ডেল তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্ধমানের একটি ডেকরেটরকে। পূর্ত দফতর অবশ্য দাবি করেছে, টেন্ডার ডেকেই বরাত দেওয়া হয়েছে ভিন জেলার ওই ডেকরেটরকে। স্থানীয় ডেকরেটররাও থাকছেন। আনুষঙ্গিক ব্যবস্থাপনায়। তৈরি হয়েছে জরুরিকালীন আইটি সেল। সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে মাঠের চৌহদ্দি।

বিশেষ কেউ ছাড়া মাঠে সাধারণের প্রবেশ নিষেধ করেছে পুলিশ। তবে জেলা প্রশাসন সূত্রে দাবি করা হয়, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো সভার বহর কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এর আগের বছর মুখ্যমন্ত্রীর সভায় শুধু প্যান্ডেল খরচই আড়াই কোটির ঘরে চলে গিয়েছিল। সঙ্গে ছিল ভিআইপিদের থাকা খাওয়ার বিস্তর খরচ।” প্রশাসনের ওই শীর্ষ কর্তা বলেন, “এবার অধিকাংশই ছেঁটে ফেলা হয়েছে। কোথাও তিনভাগের এক ভাগ কোথাও খরচ অর্ধেক করার নির্দেশ ছিল। সেইমতো ব্যবস্থা করা হয়েছে।”