মৃত্যু নিশ্চিত করতে ৪২ বার কোপ! কী শাস্তি হবে সুশান্তর?

ঋত্বিক দেবনাথ, বহরমপুরঃ কলেজ ছাত্রী সুতাপা চৌধুরী খুনের ১৫ মাসের মাথায় মঙ্গলবার শুনানি হল বহরমপুরের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে। সমস্ত বয়ান এবং ফরেনসিক তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বহরমপুরের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের অতিরিক্ত ও জেলা দায়রা বিচারক সন্তোষ কুমার পাঠকের তত্ত্বাবধানে আসামী সুশান্ত চৌধুরীকে দোষী সাব্যস্ত করলো বহরমপুরের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট। এইদিন উপস্থিত ছিলেন সরকারী আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় ও অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী পীযূষ ঘোষ।

এইদিন শুনানির পর সরকারী আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় জানান, সুশান্ত চৌধুরীকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় (খুন) এবং ২৮ ধারায় (অবৈধ অস্ত্র) আইনে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এবং গোটা ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অনেকখানি। যেহেতু একজন কর্মরত সাংবাদিক ঘটনার প্রমান হিসেবে সমস্ত ঘটনাটি ফোনে রেকর্ড করে রেখেছিলেন। যার ফলে আসামীর মুখ চেনা আরও সহজ হয়।

এছাড়াও তদন্তে উঠে আসে মার্ডার করার আগে সুশান্ত ফ্লিপকার্ট থেকে একটি নকল বন্ধুক কেনে। যাতে কেও তার কাছে আসলে সেটা দেখিয়ে সে ভয় দেখাতে পারে। এবং মেয়েটির মৃত্যু নিশ্চিত করতে বারবার সে চাকু দিয়ে মেয়েটিকে আঘাত করতে থাকে সব মিলিয়ে ৪২ বার মেয়েটিকে চাকু দিয়ে আঘাত করে।

এই নৃশংস ঘটনার ১ বছর ৩ মাস বাদে অবশেষে দোষী সাব্যস্ত করা হল অভিযুক্তকে। এদিন কোর্ট চত্বরে উপস্থিত ছিলেন সুতপা চৌধুরীর বাবা স্বাধীন কুমার চৌধুরী। কোর্ট চত্বর থেকে ফাঁসির সাজার দাবি করেন তিনি। এই ঘটনার পরে শহরের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বাইরে থেকে আসা ছাত্রছাত্রীরা সকলেই দোষীর কোঠর ও দ্রুত শাস্তির দাবি করেছেন।