Private Hospital : বহরমপুরে বেসরকারি হাসপাতালে এ কী হাল !

Murshidabad Health:  নার্সের অভাব। অভাব রয়েছে চিকিৎসকেরও । এমনই ছবি খোদ বহরমপুরের বড় হাসপাতাল ( Private Hospital) , নার্সিংহোমগুলিতে। বেসরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায়  লাগাম ছাড়া অব্যবস্থা । সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় একাধিক অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার জেলায় আসেন স্বাস্থ্য কমিশনের চার জনের প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার  জাস্টিস অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কমিশনের  প্রতিনিধি দল এদিন সকালে জেলায় এসে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে সাথে নিয়ে বহরমপুরের ৫টি সরকারি ও বেসরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্যপরিষেবা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। এদিন এই পাঁচটি হাসপাতাল পরিদর্শন করে বেশ কিছু খামতি লক্ষ্য করেন স্বাস্থ্য কমিশনের প্রতিনিধি দল।

আরও পড়ুনঃ Nashipur Rail Bridge ২০ বছর পর মিলল ৭ কিলোমিটার রেল লাইন , আক্ষেপও

দলে ছিলেন  ডাঃ মাখন লাল সাহা ও মাধবী দাস।   জাস্টিস অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলে দিনভর সারপ্রাইজ ভিজিট। সেখান থেকে উঠে আসে এই নার্সিংহোমগুলিতে অপর্যাপ্ত নার্স (Nurse)  ও আরএমও- (RMO)  এর গাফিলতির ছবি। উঠে আসে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়েও একাধিক অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ Pranab Mukherjee লোকসভার আগে প্রণব চর্চায় থাকলে আক্ষেপও

 

বৃহস্পতিবার  সার্কিট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে জাস্টিস অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ” হাসপাতাল বন্ধ করা হবে না, তবে  সেগুলির সংস্কার করতে হবে। মুর্শিদাবাদ থেকে বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছি। তাই আমরা সারপ্রাইজ ভিজিট করে বহরমপুরের বড় হাসপাতাল গুলি দেখছিলাম” ।

তিনি জানিয়েছেন, বেশ কিছু বড়বড় বেসরকারি হাসপাতালে  গাফিলতির ছবি উঠে এসেছে।  জাস্টিস অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন,  ” কোথাও পর্যাপ্ত নার্স নেই বিএসসি , জিএনএম সংখ্যায় কম এএনএম দিয়ে কাজ চলছে। এমারজেন্সি থেকে ওটি নেই প্রশিক্ষিত আরএমও”।

মুর্শিদাবাদ জেলার স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হল মা ও শিশুর স্বাস্থ্য। এর পিছনেও রয়েছে বিভিন্ন জটিলতা। তা নিয়ে পর্যালোচনা ও কর্মশালার কথাও জানানো হয় স্বাস্থ্য কমিশনের পক্ষে। বিচারপতি জানান, ” মুর্শিদাবাদে গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুর সংখ্যা রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। গত বছর ১৭০ জন মা মারা গেছেন বাচ্চা প্রসব করতে গিয়ে। এর মূল কারণ যে সব সময় চিকিৎসায় গাফিলতি নয়। এর মূল কারণ হল সচেতনতার অভাব। এই জেলায় বাল্য বিবাহ ও অপরিণত শিশু প্রসবের হারও বেশি। মা হয়তো বাচ্চা নেবার জন্য বাচ্চা ও তাঁর মা মারা যায়। এটা নিয়ে সচেতনতা মূলক ক্যাম্প করার কথা ভাবছি।”

বৃহস্পতিবার দিনভরের ভিজিট সেরে বিকেলে ফিরে যান স্বাস্থ্য কমিশনের এই প্রতিনিধি দল। তাঁরা এই বিষয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে ‘ডিটেইলড রিপোর্ট’ চান। পরবর্তীতে আবারও এই রকম ভিজিট অব্যাহত থাকবে বলেই জানানো হয়েছে কমিশনের পক্ষে।