বহরমপুরের গির্জাপাড়ার ডাম্পিংগ্রাউন্ড নিয়ে রাজনৈতিক তরজা

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুরঃ পুরএলাকা কুঞ্জঘাটার ডাম্পিং গ্রাউন্ডের সমস্যা দীর্ঘদিনের। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই এলাকাতেও বেড়েছে জন বসতি। কিন্তু ডাম্পিংগ্রাউন্ডের আবর্জনার গন্ধে দূষণ ছড়ানো নিত্য অভিযোগ। বর্ষা এলে ভয়াবহ চেহারা নেয় এই ডাম্পিং গ্রাউন্ড। রাস্তায় নেমে আসে আবর্জনা। পায়ে হাঁটা তো দূর অস্ত। যানবাহনও চলতে পারে না। এই ডাম্পিং গ্রাউন্ড পুরসভারও মাথাব্যাথা। সম্প্রতি  সেখানে শুরু হয়েছে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজ। এমন সময় পিএসি কমিটির সদস্যরা বৃহস্পতিবার ওই এলাকা পরিদর্শন করতে যান। সঙ্গে ছিলেন বহরমপুরের সাংসদ তথা কমিটির চেয়ারম্যান অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁকে সামনে পেয়ে এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পরেন। ‘ভাগাড়’র স্থান বদলানোর অনুরোধ করেন সাংসদকে। সাংসদ প্রতিশ্রুতি দেন ডাম্পিংগ্রাউন্ডের সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁর সাংসদ তহবিলের টাকা উজার করে দেবেন। আর তাই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, “ অধীর বাবু ২৫ বছর ধরে বহরমপুরের সাংসদ। ১৯৮৬ সালে তৈরি হয়েছে ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি হয়েছে। উনি ছিলেন পুরসভার উপদেষ্টা, এতদিন করেন নি কেন? ২৫ কোটি টাকা কোন উন্নয়ন তিনি করেছেন পুরসভার?” তিনি আরও বলেন, “ওঁর সাংসদ তহবিলের ৮০ শতাংশ খরচ হয়ে গিয়েছে। মার্চ মাসের মধ্যে বাকি টাকা খরচ করতে হবে। বাকি টাকা দিয়ে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কী কাজ হবে?” নাড়ুগোপাল বলেন, “উনি ভোটের আগে গল্পের গরুকে গাছে তুলছেন। নির্বাচনের আগে মার্কেটিং করছেন”