জাল লটারি কেটে টাকা জলে দিচ্ছেন না তো?

মধ্যবঙ্গ নিউজ ডেস্কঃ ছোট্ট টেবিলে রঙবেরঙের টিকিট। তাতে হাজার রকম নম্বর। আর তাতেই ভাগ্য পরীক্ষা করতে মশগুল আমজনতা। লটারির টিকিট বিক্রির এই কারবার দেখা জায়গায় সব জায়গায়। এই টিকিট বিক্রি করে পেট চালান বহু মানুষ। কিন্তু এতেও দুর্নীতি!

সামশেরগঞ্জে লটারির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জাল ব্যবসার পর্দা ফাঁস। অবৈধ ভাবে জাল লটারি ছাপিয়ে চলছিল লোক ঠকানোর ব্যবসা। সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ান শিব মন্দির এলাকায় একটি গো-ডাউনে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল লটারি উদ্ধার করল পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে লটারি ছাপানোর জেরক্স মেশিন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধুলিয়ান শিব মন্দির এলাকায় একটি গোডাউনে হানা দেবার পরে সেখানে গিয়েই পুলিশের চক্ষু চরক গাছ! গো-ডাউনে চলছে রীতিমতো জাল লটারি ছাপানোর কারবার। মেশিনে করে কাগজে ছাপানো জাল লটারির চিকিট। পুলিশ ওই গোডাউন থেকে বেশ কয়েকটি জেরস্ক মেশিন, কম্পিউটার, এসি সহ বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে। যদিও এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি ঘটনায়।

ওই গো-ডাউন মালিক জুমু ইসলামের দাবি, কয়েক মাস আগে এক ব্যক্তি তাঁর কাছ থেকে দোকান ভাড়ায় নিয়েছিলেন। তবে কি ব্যবসা করতেন তিনি তা জানা নেয়। পুলিশ এই জাল লটারি চক্রের সাথে কারা যুক্ত তা খতিয়ে দেখছে। তবে জাল লটারির কারবারের হদিশ পাবার পরে মাথায় হাত এলাকার লটারি টিকিটের ক্রেতাদের। ভাগ্য পরীক্ষার টিকিটে যে এভাবে জালিয়াতি হবে ভেবে উঠতে পারেননি কেউই।