বড়ঞার কুঁড়ে ঘরে চাঁদের আলো সুস্মিতার মার্কশিট । তবুও মেঘ আশঙ্কার !

নিজস্ব সংবাদদাতা, কান্দিঃ  খড়ের চাল আর মাটির দেওয়াল। সেই কুঁড়ে ঘরেই চাঁদের আলো সুস্মিতার উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট।  তবে,  উচ্চমাধ্যমিকের প্রায় ৯৫ % নম্বর পেরেও উচ্চশিক্ষায় বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে অর্থাভাব । পড়াশোনা চলবে কীভাবে ? দুশ্চিন্তা দানা বাঁধছে বড়ঞার বাড়িতে।   আর্থিক সমস্যা থাকলেও আগামী দিনে শিক্ষিকা হতে চায় বড়ঞার আন্দির বাসিন্দা সুস্মিতা চক্রবর্তী। এক চালির মাটির ঘরে বাবা মায়ের সাথে থাকে সুস্মিতা চক্রবর্তী। বাবা পুরোহিত হিসেবে পুজো করেন বাড়ি, মন্দিরে।  মা সংসার সামলান । মাটি কুঁড়ে  ঘরে থেকেই শিক্ষিকা হওয়ায় স্বপ্ন দেখছে উচ্চমাধ্যমিকে কৃতী  সুস্মিতা। ছোট থেকেই আর্থিক অনটন থাকলেও পড়াশোনায় ভালো বাড়ির একমাত্র সন্তান সুস্মিতা চক্রবর্তী। লোকডাউনের জেরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। মাধ্যমিকে প্রায় ৮৫ % নম্বর পেয়েছিল সুস্মিতা। অসুস্থ বাবা কোন রকমে পুজো করে সংসার চালান, তাই ইচ্ছে থাকলেও বিজ্ঞান  নিয়ে পড়া হয়নি, বাধ্য হয়েই আন্দি লাল চাঁদ ছাজের উচ্চ বিদ্যালয়ের কলা বিভাগের ভর্তি হয় কৃতী ছাত্রী। এবছর সে উচ্চমাধ্যমিকে ৪৭৩ নম্বর পেয়েছে। তার সাফল্য তাক লাগিয়ে দিয়েছে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে এলাকার মানুষকে। তাঁর এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত পরিবারও। তবে আগামী দিনে আর্থিক সমস্যায় কীভাবে মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন তা নিয়েই চিন্তায় পরিবার।