পুজো কার্নিভালের ছ’দিন পরেও আবর্জনার স্তূপ YMA!

মধ্যবঙ্গ নিউজ ডেস্ক, ১ নভেম্বরঃ যতকান্ড কার্নিভালে। ‘দেখছি সবই, কিন্তু কিছু করছি না, প্রশাসন নিদ্রা গেছে!’ -এমইটাই অভিযোগ শহরের ক্রীড়াপ্রেমী থেকে সাধারণ মানুষের। দুর্গাপুজো উপলক্ষে কার্নিভাল এখন নতুন সংযোজন। কলকাতার পাশাপাশি শহর বহরমপুরেও দু’বছর ধরে মহা সমারোহে পালিত হচ্ছে কার্নিভাল। নাচাগানা সবই হল। কিন্তু তারপর? যে মাঠে এত ঘটা করে কার্নিভাল হল এখন কী অবস্থায় শহরের সেই মাঠ YMA?

মাঠের চারিদিকে বাঁধা বাঁশের খুঁটি। চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিয়ারের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্ট, প্লাস্টিকের প্যাকেট। খেলার মাঠ তবে যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই নোংরা, আবর্জনা। মাঠ জুড়ে যেন এক বিরাট নোংরার স্তূপ। হ্যাঁ এমনই বেহাল দশা বহরমপুরের YMA মাঠের। আর এর মাঝেই চলছে ক্রিকেট প্র্যাকটিস। অসন্তোষ প্রকাশ করছেন শহরের সাধারণ মানুষ থেকে ক্রীড়াপ্রেমীরা।

বহরমপুরের একটি ক্লাবের ক্রিকেট কোচ হিমাদ্রি সরকার বলেন, কার্নিভাল করার সময় যত নিপুণভাবে ব্যবস্থা করা হয়েছিল, কার্নিভাল শেষেও যদি ততটাই তৎপরতার সাথে মাঠ পরিষ্কার করা হত তাহলে আমাদের এই নোংরার মধ্যে খেলতে হত না। এমনিতেই আজকালকার জেনারেশন মাঠে খেলতে আসতে চাই না খুব একটা। পুজোর ছুটিতে মাঠে আসে খেলতে। তারমধ্যে যদি খেলার মাঠের যদি এই অবস্থা হয় তাহলে তো শহরের খেলার পরিবেশকে টিকিয়ে রাখা দায়।

আজ থেকে ছয়দিন আগে এই মাঠেই বিরাট ধূমধাম করে অনুষ্ঠিত হয়ে ছিল দুর্গাপুজো উপলক্ষে কার্নিভাল। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুর্গা প্রতিমা নিয়ে হাজির ছিলেন পুজো কমিটিরা। সেদিনের কার্নিভালের মঞ্চে ছিল চাঁদের হাট। ঘটা করে শহরের ওয়াই এম এ মাঠে হয়েছিল কার্নিভাল। কিন্তু উৎসব ও উৎসবের রেশ কাটলেও। এই মাঠ পরিষ্কার তো দূর বাঁশের খুটি খোলার কথাও মাথায় নেই কারও। হুঁশ নেই কারও! এরম কেন হল? মাঠ বলেই কী তবে এই অবহেলা? প্রশ্ন উঠেছে কার্নিভালের উদ্যোক্তারা কী নিদ্রা গেছেন?