মীনাক্ষীদের স্লোগানে বাড়ছে ঝাঁঝ , মুর্শিদাবাদ ছেড়ে বীরভূমে ইনসাফ যাত্রা

আব্দুল হাসিমঃ ৩ নভেম্বর কোচবিহার থেকে শুরু হয়েছে পথচলা।  ১৮ তম দিনে মুর্শিদাবাদ ছেড়ে বীরভুমে পৌঁছাল ইনসাফ যাত্রা। ১১ তারিখ ফারাক্কায় আসে ইনসাফ যাত্রা। এরপর টানা দশদিন কার্যত মুর্শিদাবাদ দাপিয়েছেন  ডিওয়াইএফআই কর্মীরা। মুর্শিদাবাদ জেলায় ফারাক্কা থেকে শুরু হওয়া ইনসাফ যাত্রা এগিয়েছে সামসেরগঞ্জ, জঙ্গিপুর, ভগবানগোলা হয়ে। সাগরপাড়া, ডোমকল, ইসলামপুর, হরিহরপাড়া হয়ে রবিবার ইনসাফ যাত্রা পৌঁছেছিল খড়গ্রামে। এদিন সকাল থেকেই ফের পথ চলা শুরু।

মাথার রোদ নিয়ে পথে হেঁটেছেন বাম যুবরা । স্লোগান তুলেছেন বেকার যুবক যুবতীদের কর্মসংস্থান থেকে কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দামের দাবি নিয়ে। শেরপুর থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা খড়গ্রাম হয়ে শেষ হয় কুলির মোড়ে। মাঝে কখনও আদিবাসী নাচের ছন্দে পা মিলিয়েছেন যুবরা, কখনও স্লোগান তুলেছেন জেলায় শিল্পের দাবীতে। পথে মাঝে একাধিক জায়গায় ফুল, মালা দিয়ে পদযাত্রীদের বরণ করে নিয়েছেন স্থানীয়রা।   এদিন কুলিতে  সমাবেশ থেকে মীনাক্ষী মুখার্জি প্রশ্ন তুলেছেন , “কেন ধুঁকছে মুর্শিদাবাদের অর্থনীতি? কেন পিছনের দিকে রাজ্য? কেন রাজ্যে কাজ না পেয়ে ভিনরাজ্যে চলে যাচ্ছে যুবরা ?” । সমাবেশে ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখার্জি বলেছেন , “ এই সরকার কৃষকদের নয়, গ্রামের মানুষের নয়। এই সরকার দালালদের। জেলে বসে বেতন বেড়েছে তৃণমূলের বিধায়কদের। কিন্তু মজুরি বাড়েনি একশ দিনের কাজে। বন্ধ করেছে একশ দিনের কাজ”।

কুলিতে সমাবেশে ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা নিশানা করেছেন তৃণমূল, বিজেপিকে। তিনি বলেছেন, “রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকার বলেই দিয়েছে তারা নিয়োগ করবে না। নিয়োগের দাবি ছিনিয়ে আনবে যুবরা। কিষান মান্ডি থেকে সরাতে হবে দালালদের। কৃষকদের ধান বিক্রির দাবিতেও লড়বে যুবরা”। সোমবার সন্ধ্যায় ইনসাফ যাত্রা পৌঁছায় বীরভূমে। অনুব্রতর জেলায় বুধবার অবধি থাকবে ইনসাফ যাত্রা।