অপরাধী এখনও অধরাই, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুরঃ দিনের আলোয় জনসমক্ষে রবিবার খুন হয়ে যান তৃণমূল কর্মী সত্যেন চৌধুরী। অথচ ২৪ ঘন্টা কেটে গেল কাউকে গ্রেপ্তার হয়নি। খোদ বহরমপুর শহরে তৃণমূল নেতা খুনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। কংগ্রেসের অভিযোগ দলের কর্মী খুন হলেও সরকারি দলের মাথাব্যাথা নেই। এমনকি তার প্রতিবাদে কোনও মিছিলও করেনি তৃণমূল। প্রশাসন সব জেনেও নীরব।

বহরমপুরের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “শহরের বুকে এই রকম মর্মান্তিক খুন প্রশ্ন তুলছে শহরের নিরাপত্তার ওপর। তৃণমূল কংগ্রেসের নিজেদের মেম্বার ছিলেন উনি। সেই তৃণমূল একটা প্রতিবাদ মিছিল করল না। এইগুলোর মধ্যদিয়ে কী ইঙ্গিত দিচ্ছে? যে সরকারের মাথা ব্যাথা নাই”।

কংগ্রেসের পাশাপাশি বিজেপিও শহরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিজেপিও। এই খুনের পিছনে দলীয় কোন্দলকেই দায়ি করছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি শাখারভ সরকার জানান, “এই রকম খুন দিন-দুপুরে প্রশ্ন তুলছে প্রশাসনের ওপরও। এটি সম্পূর্ণ তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দল। জমি দখল করা নিয়ে বিবাদ।”যদিও তৃণমূলের দাবি খুন করেছে কে সেও যেমন ধরা পরতে তেমনি কারা খুন করাল তাঁরাও ধরা পরবে। তৃণমূল নেতা অশোক দাস এই বিষয়ে বলেন, “এক সময় এই জেলায় উনি (অধীর চৌধুরী) খুনের রাজনীতি করেছেন। এখন দাঁড়িয়ে উনি আমাদের প্রতিবাদ মিছিলের আদেশ দিচ্ছেন? আগে নিজের খুনের রাজনীতির দিনগুলি মনে করে দেখুক উনি তারপর বাকি কথা হবে”। লোকসভা ভোটের আগে শহরে রাজনৈতিক খুন নিয়ে উত্তাপ কমার লক্ষণ নেই।