ধুলিয়ানে বোমাবাজি! নেপথ্যে কি এলাকা দখলের লড়াই?

নিজস্ব সংবাদদাতা, ধুলিয়ানঃ এলাকা দখলের উদ্দেশ্যেই কী বোমাবাজি ধুলিয়ানে? ঘটনাক্রম অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ধুলিয়ান পুরসভা তৃণমূলের দখলে। তা সত্ত্বেও এই পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড কার দখলে থাকবে তা নিয়ে বেশ কয়েক মাস ধরেই ঘাসফুলের দুই শিবির উত্তপ্ত ছিল এই অঞ্চলে, দাবি সূত্রের

পুরসভার এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পারভেজ আলম ওরফে পুতুল। তৃণমূলের ঘর বারান্দায় তিনি জেলা পরিষদের বর্তমান সদস্য আনারুল হক বিপ্লবের ঘরের লোক বলেই পরিচিত। উল্টোদিকে এই পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামামুল ইসলাম। তিনি শমসেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম পন্থী বলে পরিচিতি ধুলিয়ান বেল্টে। দাবি স্থানীয় তৃণমূলের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে পুতুলের আত্মীয় জাভেদ আলম ওরফে বান্টির সঙ্গে বচসা বেঁধেছিল ওই এলাকায় পুরসভার নির্দল প্রার্থী ওয়াসিম রেজমি। ওয়াসিম অবশ্য এখন তৃণমূলেরই সদস্য। এই দুই তৃণমূল কর্মীর মধ্যে বাকবিতন্ডার খানিক পরেই তারপরেই এই বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। আঙ্গুল ওঠে পুরসভার চেয়ারম্যানের দিকে। সদ্য ধুলিয়ান থানায় দায়িত্ব রদবদল হয়েছে। সেই সুযোগকে হাতিয়ার করেই দুষ্কৃতিরা কাল বোমা বাজি চালিয়েছে বলে খবর। যার জেরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। এ ব্যাপারে উত্তর দিতে চাননি তৃণমূলের শীর্ষ স্তরের কোনও নেতা। তবে পুলিশের প্রশংসা করে এলাকা ঠান্ডা হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন বিপ্লব। উল্টোদিকে কাউন্সিলর পুতুল পুলিশের নিন্দায় সরব। তবে পুলিশ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে।