শীতবস্ত্রের যত্ন নিন শীতের বিদায় বেলায়

রাহি মিত্রঃ  আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে….ক্যালেন্ডারে ফাগুন মাস আর ঋতু মতে বসন্তকাল এখন । বিদায় বেলায় শীত । যদিও পুরোপুরি নয় এখনও শীতের বিদায় বেলা । জেলাগুলিতে সকালে রাতে ঠান্ডা তো আছেই । তাপমাত্রা কম । তবে কলকাতা লাগোয়া এলাকাগুলিতে তাপমাত্রা বেশি তুলনায় । কলকাতার এলাকাগুলিতে ১৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর বেশি তবে জেলাগুলির মধ্যে বাঁকুড়া পুরুলিয়া বীরভূম জেলার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর মত । আমাদের জেলাতেও সকালে রাতে মাঝারি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে ।

সে যাই হোক , আবহবিদদের মতে শীত তার দাপট হারিয়ে এবার ফেরার পথে । তাই শীত শীত ভাবের পালা শেষের সাথে শীতের যাবতীয় পোশাক-আশাকেরও এবার পাততাড়ি গোটানোর পালা । তবে শীতের পোশাক আসাক লেপ কম্বল গুটিয়ে রাখা খুব একটা সহজ কাজ নয় । কারণ বছরের বেশিরভাগ সময় বাক্সবন্দী আলমারী বন্দী থাকে শীতের পোশাক আসাক , আর আকার আয়তনেও বেশ বড়সড় শীতবস্ত্র গুলি অনেক জায়গা জুড়ে থাকে । শীতে ব্যবহার করা পোশাক-আশাক বিছানা আর যা কিছু খুব যত্নে না রাখতে পারলে তা খারাপ হয়ে যেতে পারে । তাই শীতের ব্যবহারের যে কোনো পোশাক না ধুয়ে কখনোই তুলে রাখা যাবেনা আলমারি বা বাক্সতে । কারন এর ফলে ব্যবহারের পোশাকগুলোতে ময়লা ও আদ্র থাকার ফলে তা পোকা মাকড় বা ছত্রাক এর আশ্রয় স্থল হতে পারে । এর ফলে শীতবস্ত্র বা শীতের ব্যবহার্য জিনিস পত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে । সেক্ষেত্রে ড্রাই ওয়াশ করে নেওয়া যেতে পারে । আরও একটি বিষয় হল শীতের পোশাক আলমারিতে ঝুলিয়ে বা টাঙিয়ে রাখা যাবে না । এতে উলের বা পশমের পোশাক নষ্ট হয়ে যেতে পারে । ভালো হয় যদি বায়ুশূন্য প্লাস্টিকের ব্যাগে শীতের পোশাক গুলিকে রাখা যায় । এতে আদ্রতা থেকে শীতবস্ত্র গুলি কে রক্ষা করা

যাবে । মনে রাখতে হবে আদ্রতা যেন কোনোভাবেই শীতবস্ত্র রাখার আলমারি বা বাক্সে প্রবেশ করতে না পারে । যদি সম্ভব হয় তো মাঝে মাঝে শীত বস্ত্র গুলিকে বাইরে রোদে দেওয়া উচিত বছরের অন্য সময়তে ।

শীতের উষ্ণতা পেতে শীতবস্ত্র গুলির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন । তবেই না বছর ঘুরে আবার ঘন কুয়াশায় মোড়া পৌষে অথবা মাঘের কনকনে ঠান্ডায় উলের বা পশমের সেইসব পোশাক গুলিই পুনরায় আমাদের উষ্ণ ছোঁয়া দিতে পারবে গভীরভাবে ।