লালগোলায় জলে ডুবে মৃত বাবা দুই মেয়ে , পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী থেকে বিধায়ক সাংসদ

লালগোলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা । জলে ডুবে মৃত্যু হল বাবা ও দুই মেয়ের। লালগোলা ব্লকের ময়া অঞ্চলের মুকিমনগর গ্রামের ঘটনা। জানা গিয়েছে সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে বাবাকে মাঠে খাবার দিয়ে যাওয়ার পথে নসিপুর বিলের জলে পড়ে যায় ছোট বোন বছর ৮ এর আনিসা খাতুন , তাকে বাঁচাতে গিয়ে জলে ঝাঁপ দেয় তার দিদি বছর ১১ এর নাফিসা সুলতানা। সেও তলিয়ে যায় বিলের জলে। দুই মেয়েকে তলিয়ে যেতে দূর থেকে দেখেন তাদের বাবা বছর ৪৫ এর রাইজুদ্দিন শেখ। তিনি দুই মেয়েকে বাঁচাতে জলে ঝাঁপ দিলে তলিয়ে যান । কিছুক্ষন পর স্থানীয়রা তিনজনকে উদ্ধার করে লালগোলা কৃষ্ণপুর গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাবা ও দুই মেয়ের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

সোমবার লালগোলায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর শোকের ছায়া নেমে আসে লালগোলা ব্লকের ময়া অঞ্চলের মুকিমনগর গ্রামে। দেহ ময়নাতদন্তের পর সন্ধায় নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ি। সেখানে এলাকার মানুষজনেরা ভিড় করেন । শোকে পাথর গোটা পরিবার। শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে আসেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তথা রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান, জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, লালগোলার বিধায়ক মহম্মদ আলি সহ স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা। শোকার্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন তাঁরা। মর্মান্তিক পরিণতিতে অসহায় পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রী সাংসদ , বিধায়ক। মৃতের স্ত্রীর বিধবা ভাতা, কৃষক পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা যাতে পরিবারটি পায় তার চেষ্টা করা হবে বলেই জানান এদিন জনপ্রতিনিধিরা ।
প্রসঙগত উল্লেখ্য, সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে বাবাকে মাঠে খাবার দিয়ে যাওয়ার পথে নসিপুর বিলের জলে পড়ে যায় ছোট বোন আনিসা খাতুন , তাকে বাঁচাতে গিয়ে জলে ঝাঁপ দেয় তার দিদি নাফিসা সুলতানা। সেও তলিয়ে যায় বিলের জলে। দুই মেয়েকে তলিয়ে যেতে দূর থেকে দেখেন তাদের বাবা বছর ৪৫ এর রাইজুদ্দিন শেখ। তিনি দুই মেয়েকে বাঁচাতে জলে ঝাঁপ দিলে তলিয়ে যান । কিছুক্ষন পর স্থানীয়রা তিনজনকে উদ্ধার করে লালগোলা কৃষ্ণপুর গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।