পাশে মমতা, খুশি জাকির । সাগরদিঘিতে শুভেন্দুকে তোপ মমতার ।

মধ্যবঙ্গ ওয়েব ডেস্কঃ মুর্শিদাবাদে ঝটিকা সফরে এসে জঙ্গিপুরের বিধায়ক, শিল্পপতি জাকির হোসেনের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বিধায়ক  জাকির হোসেনের বাড়ি, অফিস, কারখানা ঘিরে তোলপাড়া হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।  বুধবার  জানুয়ারি জঙ্গিপুরে হানা দেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রায় দশ ঘন্টার তল্লাশি, জিজ্ঞাসাবাদ চলে ব্যবসায়ী, বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়িতে। ভোর অবধি তল্লাশি চলে চাল মিলেও । বৃহস্পতিবার সকালে  দাবি করা হয়, জাকির হোসেনের বাড়ি, অফিস, কারখানা থেকে  উদ্ধার হয়েছে হিসেব বহির্ভুত ১১ কোটি টাকা । যদিও শুক্রবার  জাকির হোসেন জানান,  বাড়ি থেকে ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা নিয়ে গিয়েছে আয়কর দপ্তর। আয়কর হানার পিছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধির অভিযোগও তুলেছেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক।

এর আগে ৯ জানুয়ারি,  সোমবার মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে  সভা করে কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।   শুভেন্দুর সভার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আয়কর হানায় অভিযোগ ওঠে   রাজনৈতিক প্রভাবেরও।

সোমবার সাগরদিঘিতে এসে সেই প্রশ্নই ফের উস্কে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।  সোমবার সাগরদিঘিতে আয়কর হানার  ঘটনায় কেন্দ্রকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশে দাঁড়ালেন দলের বিধায়কের। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেও আক্রমণ করেন মমতা। মমতার দাবি, দলের যে নেতা মুর্শিদাবাদের দায়িত্বে ছিলেন। কেন্দ্রীয় এজেন্সি পাঠাচ্ছেন তিনিই। শুভেন্দুকে নিশানা করে  নিজেদের বাড়ি ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্সকে দিয়ে সার্চ করানোর কথাও বলেন মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী ভাষণে কার্যত স্বস্তিতে বিধায়ক জাকির হোসেনও। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সাহস পেয়েছেন বলেই জানান, শিল্পপতি, বিধায়ক  জাকির হোসেন। মমতার ভাষণ শোনার পর জাকির হোসেন বলেন, “সাহস পেলাম।  মাননীয়  মুখ্যমন্ত্রী আমাদের সব সময় সাহস দেন । পাশে থাকেন ।  এমন কোন কাজ করিনি। অন্যায় করিনি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মা। আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা মানুষের পাশে আছি। মুখ্যমন্ত্রী জানেন। তাই পাশে আছে। উনি চাইছেন, শিল্প বেঁচে থাক। শিল্পে যাতে কেউ আঘাত না আনেন” ।