তৃণমূলে ফিরলেন কর্মাধ্যক্ষ আনারুল হক বিপ্লব , সামসেরগঞ্জে মিটবে দ্বন্দ্ব ?

মধ্যবঙ্গ নিউজ ডেস্কঃ অবশেষে ক্লোজ হল বিক্ষোভের চ্যাপ্টার !  তৃণমূল কংগ্রেসের ঝান্ডা ধরে দলে ফিরলেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ আনারুল হক বিপ্লব। তবে চ্যাপ্টার কী সত্যিই ক্লোজড ? নাকি নতুন অধ্যায় শুরু হল সামসেরগঞ্জে তৃণমূলের দলীয় সমীকরণে ? সেই প্রশ্নগুলো থেকেই যাচ্ছে।

বুধবার নবগ্রামে কানাই মণ্ডলের বাড়িতেই বিপ্লবের হাতে পতাকা তুলে দিলেন দলের জঙ্গিপুর জেলার চেয়ারম্যান কানাই মন্ডল। একসাথে পতাকা ধরে ছবি তুললেন মহিলা সভানেত্রী হালিমা খাতুন, জেলাপরিষদের সহকারী সভাধিপতি ঝর্না দাস, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রাজিব হোসেন, রানিনগরের  বিধায়ক সৌমিক হোসেন, নবগ্রাম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস  সভাপতি এনায়েত হোসেন । পাশের ঘরেই ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জঙ্গিপুর জেলার সভাপতি, সাংসদ  খলিলুর রহমানও।  আনারুল হক বিপ্লব অবশ্য স্বীকার করেছেন, তার উপর দলের সাসপেনশন ছিল। সেই সানপেনশন উঠে গিয়েছে। তবে তৃণমূল সূত্রের খবর, এতে বেজায় চটেছে সামসেরগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক আমিরুল ইসলাম।

বুধবার আনারুল হককে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন কানাই চন্দ্র মণ্ডল। তিনি বলেন, কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি ছিল। সেই ত্রুটি কাটিয়ে তিনি তৃণমূলের কাজ করছেন। পৌরসভা নির্বাচনে ভালো কাজ করেছেন। কর্মাধ্যক্ষ হিসেবেও তার কাজ ভালো। কানাই মন্ডলের দাবি,  খলিলুর রহমান এবং খোদ তাঁর  কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আনারুল। তাই তাঁকে দলে আবার স্বাগত জানানো হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই আনারুলকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সামসেরগঞ্জে বিধানসভা নির্বাচনের সময় এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগও উঠেছিল আনারুলের বিরুদ্ধে। কর্মাধ্যক্ষ আনারুলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলে খোদ বিধায়ক আমিরুল ইসলামও।

জেলা পরিষদ নির্বাচন পর্বে  জেতার পরে বিধায়কের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন এই আনারুলই। বরাবরই খলিলুর রহমানের কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত বিপ্লব। আর সামসেরগঞ্জের মানুষ বরাবরই দেখে এসেছেন আনারুল-আমিরুল দ্বন্দ্ব ।

তবে সেই আনারুল দলে ফেরায় কী নতুন করে শুরু হবে কোন্দল ? সেই দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।