গুণ্ডারাজ ! বহরমপুরে সিএমওএইচ নিগ্রহে নিন্দার ঝড়

মধ্যবঙ্গ নিউজ ডেস্কঃ বহরমপুরে সিএমওএইচ’এর উপর হামলার ঘটনায় নিন্দায় সরব হয়েছেন চিকিৎসক থেকে সাধারণ মানুষ । চিকিৎসকদের সংগঠক ডাঃ  রেজাউল করিম সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ” ডাঃ সন্দীপ স্যানালকে নিগ্রহ ও মারধর করা হয়েছে বলে একটা ভিডিও সোসাল মিডিয়াই শেয়ার করা হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি ও ঘটনার সাথে যুক্ত সবার গ্রেফতার দাবী করছি। হাসপাতালে গোলমাল আর জেলার প্রধান কর্তার ঘরে ঢুকে হামলা গুণগতভাবে আলাদা। প্রথমটি অনেকসময় সাময়িক উত্তেজনায় হয় কিন্তু এই ঘটনা ঠাণ্ডা মাথায় ঘটেছে বলেই তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আরো দুর্ভাগ্য যে, ঘটনা যখন ঘটেছে তখন সেখানে একজন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। উত্তরপ্রদেশ-মধ্যপ্রদেশ-কর্নাটকের মত বিজেপি শাসিত রাজ্যে এসব আকছার হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই ঘটনা অত্যন্ত বিরল। বিশেষতঃ রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টায় প্রায় সব হামলার ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত দাবী করছি ও দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবী জানাচ্ছি” ।

ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছে  অ্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিসেস ডক্টর্সের  রাজ্য সম্পাদক ডাঃ মানস গুমটা। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন তিনি ।  দোষি ব্যক্তিকের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন  ডাঃ মানস গুমটা ।  তার দাবি, স্থানীয় গুন্ডারা সিএমওএইচের উপর চড়াও হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ ও মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি সামসুজ্জোহা বিশ্বাস বহরমপুরে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ নিয়ে আসেন। তাঁদের সঙ্গে আসেন এলাকায় কয়েকশো সাধারণ মানুষ। তারাই চড়াও হন সিএমওএইচ’এর উপর। কলার ধরে চলে মার। ছোঁড়া হয় ঘুষিও । সিএমওএইচ’কে নিগ্রহের পর স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি। ওঠে গো ব্যাক স্লোগানও। ঘটনার পর ১৪ জনকে আটক করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ।