কংগ্রেসের বারান্দায় লাল আবির, সবুজ আবির ব‍্যবহারে সতর্ক বাম শিবির

মধ‍্যবঙ্গ নিউজ, বহরমপুরঃ তৃণমূলের অদম‍্য ঘোড়া সাগরদিঘিতে আটকেছে কংগ্রেস-সিপিএম। তারই উদযাপনে এখনও মাতোয়ারা ওই দু-দলের কর্মী সমর্থকরা। সেই উদযাপনে তাঁদের দোসর এ বছরের দোল। সেই দোলের শ্লোগানে সবুজ হঠাও এর ডাক। পাল্টা তৃণমূলের কটাক্ষ ” লাল রঙে মিশে আছে বিপদজনক রঙ। রঙ চিনুন।” তবে চলতি বছর দোলের বাজারে লাল আবিরের চাহিদা তুঙ্গে। কংগ্রেসের ঘরে সবুজের পাশাপাশি লাল আবির ও রঙের সহাবস্থান দেখে তাই কৌতূহল চেপে রাখতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ কংগ্রেসের বারান্দায় উড়ছে লাল আবির। বামেদের শিবিরেও সবুজ আবির মজুত আছে। তবে তা ব‍্যবহারে সাবধানি তাঁরা। সে কথা জানিয়ে বহরমপুরের প্রবীর ঘোষালের দাবি, ” সব রঙ মিশে গেছে লালে। যেটুকু বাকি আছে তা ২০২৬ এর আগেই মিশে যাবে। অপেক্ষা করুন।” আর এই দুই দলের রঙ যোগানের বাহুল‍্য দেখে “মধুচন্দ্রিমা” বলে কটাক্ষও করছে তৃণমূল। গোয়ালজানের এক তৃণমূল সমর্থক সুবীর মিস্ত্রি বলছেন, ” লালের সঙ্গে গেরুয়াও মিশে আছে সেটা কি খেয়াল করেছেন?” সেদিকে ভ্রূক্ষেপ অবশ্য নেই বিজেপির। তৃণমূলের তুলনায় বিজেপির সুর ও ততটা চড়া নয়, তুলনায় নরম। বিজেপি সমর্থক সুরেশ বৈরাগী বলছেন, ” তৃণমূল আর কংগ্রেস দু’দলের রঙই তো সবুজ। তৃণমূল মানেই কংগ্রেস আর কংগ্রেস মানেই তৃণমূল। আমাদের রঙ গেরুয়া। আর বামেদের রঙ লাল। নিন্দুকেরা সেটাও গুলিয়ে ফেলেছেন।” পুলিশ প্রশাসন শোনাচ্ছে সাবধান বাণী। বহরমপুর থানার এক বর্ষীয়ান পুলিশ আধিকারিক বলছেন, ” রঙের খেলায় আমাদের কোনও বাছবিছার নেই। তবে কাউকে জোর করে রঙ দিতে গিয়ে আমাদের জড়াবেন না। অনেকের রঙে আপত্তি আছে। বুঝে রঙ লাগাবেন “